শ্রীলেখা মিত্রের সিনেমার প্রচারণা থেকে বাদ পড়ার ক্ষোভ
সৌভিক দে পরিচালিত নতুন ছবি ‘ভুতু আয়া ভাগো’ শুক্রবার (২ অক্টোবর) মুক্তি পাচ্ছে। ছবিতে অভিনয় করেছেন ওপার বাংলার অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। তবে, এই সিনেমার প্রচারণায় তাকে রাখা হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে জানান।
শ্রীলেখা মার্কেটিং ও প্রমোশন টিমের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তার অভিযোগ, তার সোচ্চার স্বভাব ও ‘বিতর্কিত ভাবমূর্তি’র কারণে তাকে প্রচার থেকে দূরে রাখা হয়েছে।
তিনি লেখেন, ‘এই ছবিটির প্রমোশন কীভাবে সামলানো হচ্ছে তা নিয়ে আমার সত্যি কোনও ধারণা নেই। আমার তথাকথিত বিতর্কিত ইমেজের ভয়ে মার্কেটিং টিম হয়তো আমাকে ছবির প্রমোশন থেকে সরিয়ে রেখেছে।’
তবে বাদ পড়লেও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে শ্রীলেখা জানান, যে ছবির তিনি অংশ, সেটির তিনি প্রচার করবেন। ছবির প্রযোজক ড. মনোরঞ্জন জেনা, পরিচালক সৌভিক দে, সহ-অভিনেতা এবং সমস্ত কলাকুশলীদের শুভেচ্ছা জানান তিনি। প্রয়াত অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিশেষভাবে স্মরণ করেন, যিনি এই ছবিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
শ্রীলেখা বলেন, ‘অভিনেতারা তাদের কাজের মাধ্যমেই চিরকাল বেঁচে থাকেন।’ তিনি ইন্ডাস্ট্রি ও প্রযোজকদের বাঁচিয়ে রাখার তাগিদ দিয়ে বলেন, ‘একজন প্রযোজক টিকে থাকা মানে শত শত শিল্পী ও কলাকুশলীর রুজি-রুটি ও পুরো ইকোসিস্টেম বেঁচে থাকা।’
শ্রীলেখার এই পোস্টের পর বিনোদন জগতে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। এক নেটিজেন মন্তব্য করেন, ‘এটা ভীষণ অপেশাদার এবং নীতিহীন কাজ! তার মানে কোনও শিল্পী নিজের মত প্রকাশ করতে পারবেন না?’
শ্রীলেখা এই মন্তব্যের জবাবে লেখেন, ‘এসব এখন আমার জলভাত হয়ে গিয়েছে। নিজের মতামত স্পষ্ট করে বললে, বিশেষ করে সে যদি নারী হয়, তবে সমাজ বা ইন্ডাস্ট্রি কেউ তা সহজে মেনে নেবে না।’
শ্রীলেখার এই দাবির পর আবারও প্রশ্ন উঠছে— ইন্ডাস্ট্রিতে ঠোঁটকাটা ও স্পষ্টবাদী হওয়াটাই কি তবে কোনও শিল্পীর বড় অপরাধ?