গাজায় চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছাতে দেরি, ভয়াবহ পরিণতির আশঙ্কা

গাজায় জীবনরক্ষাকারী ওষুধ, কৃত্রিম অঙ্গ ও অন্যান্য চিকিৎসাসামগ্রী পৌঁছাতে বিলম্বের কারণে জরুরি চিকিৎসাপ্রার্থী ফিলিস্তিনিদের জন্য ভয়াবহ পরিণতি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

শুক্রবার সংস্থাটি জানায়, অনুমোদিত ত্রাণ এখন মূলত দক্ষিণ গাজার কেরেম শালোম দিয়ে প্রবেশ করছে। রাফাহ ক্রসিং দিয়ে সীমিতসংখ্যক মানুষ চলাচলের সুযোগ পাচ্ছেন, যাদের মধ্যে বিদেশে চিকিৎসা নিতে যাওয়া রোগীরাও আছেন। ডব্লিউএইচওর প্রতিনিধি রেইনহিল্ডে ভ্যান দে ভিয়ার্ডট বলেন, প্রয়োজনীয় সামগ্রী দেরিতে পৌঁছালে তা জীবন বাঁচাতে পারে না। তিনি চিকিৎসাসামগ্রী প্রবেশে বিধিনিষেধ কমানোর আহ্বান জানান।

প্রতিনিধিটির তথ্য অনুযায়ী, কৃত্রিম অঙ্গ ও সহায়ক সরঞ্জামের একটি চালান ছয় মাসে চারবার প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। অন্যদিকে প্রায় ৮৭ শতাংশ ওষুধের চালান অনুমোদন পেলেও ১ শতাংশের কিছু বেশি বাতিল হয়েছে। সংস্থাটি একাধিক সীমান্তপথ খুলে ত্রাণ ও চিকিৎসাসামগ্রী দ্রুত ও পূর্বানুমানযোগ্যভাবে পৌঁছানোর দাবি জানিয়েছে।

কিসুফিম, গেট ৯৬, এরেজ ও এরেজ ওয়েস্ট—গাজার আরও চারটি প্রবেশপথ বন্ধ রয়েছে। শীত, বন্যা, বিশুদ্ধ পানির সংকট এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্র ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। প্রায় ২০ লাখ মানুষের নিরাপদ আশ্রয় প্রয়োজন বলেও জানানো হয়েছে। গাজা সিটিতে জমে থাকা বর্জ্য জনস্বাস্থ্যের জন্য নতুন বিপদ তৈরি করেছে।

All Categories