ভারতকে বন্ধুত্বের প্রমাণ দিতে পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, আগামী ১২ ডিসেম্বর ফারাক্কা চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ভারতকে প্রকৃত বন্ধুত্বের প্রমাণ দিতে হবে, যা অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার মাধ্যমে সম্ভব।
রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে পঞ্চগড় সদর উপজেলার মীরগড় এলাকায় দ্বিতীয় করতোয়া সেতু পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ফরহাদ হোসেন বলেন, ফারাক্কা চুক্তি ১২ ডিসেম্বর শেষ হচ্ছে। আমরা ইতোমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। কলকাতায় টেকনিক্যাল কমিটির একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী দেশকে আহ্বান জানাচ্ছি, বিশেষ করে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে যে চুক্তিটি করেছিলেন, সেই গ্যারান্টি ক্লজকে সামনে রেখে আমরা চাই ফারাক্কা চুক্তির নবায়ন এবং বাস্তবায়ন।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, গত ১৭ বছরে একপাক্ষিক সমর্থনের কারণে দুই দেশের জনগণের মধ্যে যে প্রশ্নের উদ্ভব হয়েছে, তা গ্যারান্টি ক্লজসহ ন্যায্য পানি বণ্টন নিশ্চিত করার মাধ্যমে ভারতের বন্ধুত্বের প্রমাণ দেওয়া সম্ভব। তিনি ফারাক্কা ছাড়াও সীমান্তজুড়ে ৫৪টি নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা এবং সেগুলোর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে ইতিবাচক ভূমিকা প্রত্যাশা করেন।
এ সময় পঞ্চগড় সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু, জেলা যুবদলের সভাপতি ফেরদৌস ওয়াহিদ রাসেল, সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান বাবুসহ সড়ক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।