শরতে লেদার জ্যাকেট পরার সহজ নিয়ম, সাজে থাকবে নিজের দাপট

শরতের আবহে লেদার জ্যাকেট পরার ক্রেতা বাড়লেও স্টাইলিং নিয়ে ভুল করে অনেকেই অসহ্য হয়ে পড়েন। তাই জ্যাকেট বেছে নেওয়ার পাশাপাশি কীভাবে পরছেন, সে দিকেও নজর দেওয়া জরুরি।

এই মৌসুমে ফানেল-নেক লেদার জ্যাকেট বেশ জনপ্রিয়। গলার কাছে জিপ বা বোতাম দিয়ে চিবুক পর্যন্ত বন্ধ করা যায় এমন ঢিলেঢালা কাটের জ্যাকেট এখন ফ্যাশনে সবচেয়ে এগিয়ে। বাইকার জ্যাকেটের তুলনায় এই নকশাটি দেখতে অনেক বেশি পরিশীলিত; উঁচু গলা মুখের দিকে দীর্ঘ রেখা টেনে পুরো সাজে আনে ছিমছাম ভাব।

শরীরের সঙ্গে একেবারে লেগে থাকা কাট সবসময় ভালো দেখায় না। কিছুটা ঢিলেঢালা ও স্বচ্ছন্দ কাট দেখতে বেশি আভিজাত্যপূর্ণ লাগে; জ্যাকেটের ভেতর সামান্য ফাঁকা থাকলে পোশাকটি আরামদায়কও হয়।

চুল কীভাবে রাখছেন, সেটিও পুরো সাজের ওপর প্রভাব ফেলে। লম্বা চুল খোলা রাখলে ভারী জ্যাকেটের পাশে তা পাতলা দেখাতে পারে। কলারের ভেতরে চুল গুঁজে রাখা স্টাইল দেখতে আকর্ষণীয় হলেও সবসময় স্বস্তিদায়ক নয়; পনিটেল বা হালকা এলোমেলো খোঁপা হতে পারে সহজ পছন্দ।

মাথা থেকে পা পর্যন্ত লেদারের পোশাক পরার দরকার নেই। লেদার স্কার্ট বা প্যান্টের সঙ্গে জ্যাকেট পরলে সাজ অতিরিক্ত ভারী হয়ে যেতে পারে। জিনসও পরিচিত সমন্বয়, তবে এতে রুক্ষ ভাব আসতে পারে। নরম কাপড়ের স্কার্ট বা ঢিলেঢালা প্যান্ট বেছে নিলে জ্যাকেটের শক্ত গঠনের সঙ্গে ভারসাম্য তৈরি হবে।

লেদার জ্যাকেট মানেই কালো, এমন ধারণা থেকে বেরিয়ে আসা যায়। বারগান্ডি, চকোলেট বা নরম রঙের জ্যাকেটও বেশির ভাগ পোশাকের সঙ্গে সহজে মানিয়ে যায়; হালকা রং বেছে নিলে জ্যাকেটের ভারী উপস্থিতিও কম মনে হয়।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, জ্যাকেটের নিজস্ব স্টাইল যেন আপনার ব্যক্তিত্বকে নিয়ন্ত্রণ না করে। ভারী বুট বা কড়া সাজ পরতেই হবে, এমন কোনও নিয়ম নেই। স্ট্রাইপের সোয়েটার, নরম প্যান্ট বা সাধারণ স্কার্টের সঙ্গেও লেদার জ্যাকেট পরা যায়। পোশাকের দাপট থাকবে, তবে সাজে শেষ কথা বলবে আপনার ব্যক্তিত্ব ও স্বাচ্ছন্দ্য।

All Categories