ঘরেই বানান জাফরানের সুবাসে ভরা কাশ্মীরি পোলাও
উৎসব বা অতিথি আসার দিনে রোজকার পোলাওয়ের বদলে পাতে রাখতে পারেন কাশ্মীরি পোলাও। বাসমতি চালের সঙ্গে ঘি, জাফরান, কিশমিশ ও নানা রকম বাদামের মিশেলে এর ঘ্রাণ আর স্বাদ দুটোই আলাদা। পারিবারিক আয়োজন কিংবা বিশেষ কোনো দিনের খাবারে এটি বেশ মানিয়ে যায়। জেনে নিন সহজ পদ্ধতি।
যা যা লাগবে: বাসমতি চাল ২ কাপ, ঘি ৩ টেবিল চামচ, একটি পেঁয়াজ পাতলা করে কাটা, দারুচিনি ২ টুকরা, এলাচ ও লবঙ্গ ৪টি করে, তেজপাতা ২টি, আধা চা চামচ জিরা, আধা চা চামচ আদাবাটা, স্বাদমতো লবণ, ১–২ টেবিল চামচ চিনি, ১ চা চামচ কেওড়াজল, এক চিমটি জাফরান ও ২ টেবিল চামচ গরম দুধ। এ ছাড়া গরম পানি, কাজু ও কাঠবাদাম ২ টেবিল চামচ করে, কিশমিশ ২ টেবিল চামচ, ১ টেবিল চামচ পেস্তা এবং পছন্দ হলে শুকনো খেজুর বা আলুবোখারা।
পদ্ধতি: চাল ধুয়ে আধা ঘণ্টার মতো ভিজিয়ে রেখে পানি ঝরিয়ে নিন। গরম দুধে জাফরান ভিজিয়ে রাখুন, এতে রং ও সুবাস ভালো আসবে।
হাঁড়িতে ঘি গরম করে কাজু, কাঠবাদাম ও কিশমিশ অল্প আঁচে ভেজে আলাদা করে রাখুন। ওই ঘিতেই গোটা মসলা ও জিরা ছেড়ে কিছুক্ষণ নাড়ুন। তারপর পেঁয়াজ সোনালি হওয়া পর্যন্ত ভেজে আদাবাটা দিন। আদার কাঁচা গন্ধ কেটে গেলে চাল দিয়ে আলতো হাতে দুই-তিন মিনিট নেড়ে নিন।
এবার চালের অনুপাতে গরম পানি ঢেলে লবণ ও চিনি মিশিয়ে দিন। ফুটতে শুরু করলে ঢাকনা দিয়ে কম আঁচে রান্না চলুক। চাল আটআনা সিদ্ধ হলে জাফরানের দুধ ও কেওড়াজল ছিটিয়ে দিন।
ভেজে রাখা বাদাম, কিশমিশ ও পেস্তা ওপরে ছড়িয়ে ঢাকনা এঁটে আরও প্রায় দশ মিনিট দমে রাখুন। চাল ভালোভাবে সিদ্ধ হলে চুলা নিভিয়ে পাঁচ মিনিট রেখে দিন। শেষে কাঁটাচামচে হালকা করে নেড়ে দানাগুলো আলাদা করুন, যেন ভাত না ভাঙে।
পরিবেশনের সময় ভাজা বাদাম, কিশমিশ ও ডালিমের দানা ওপরে দিলে দেখতে আরও সুন্দর হয়। কাবাব, রোস্ট বা পছন্দের অন্য মাংসের পদের সঙ্গে গরম গরম খেতে দিন।
টিপস: পোলাও ঝরঝরে রাখতে পানি মেপে দিন এবং রান্নার সময় বারবার হাতা নাড়বেন না। মিষ্টি কতটা চান, সে অনুযায়ী চিনির পরিমাণ কমবেশি করে নিতে পারেন।