রাদারফোর্ড-হোপের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ভারতকে হারিয়ে সিরিজে সমতা ওয়েস্ট ইন্ডিজের
রাঁচিতে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ২৫০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে শাই হোপের অপরাজিত সেঞ্চুরি ও শেরফান রাদারফোর্ডের বিধ্বংসী ইনিংসে ম্যাচের গতিপথ ঘুরিয়ে দেয় ক্যারিবীয়রা। ফলে ভারতকে ৬ উইকেটে হারিয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ১-১ বরাবর সমতা আনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটি তাদের সর্বোচ্চ সফল রান তাড়া।
লক্ষ্য তাড়ায় নামার পর প্রথম ওভারেই তিনটি উইকেট হারায় দল। পেসার মায়াঙ্ক যাদব পরপর দুই বলে ফেরান কামিল পুরান ও শিমরন হেটমায়ারকে, পরে আউট হন ২৪ রান করা রোভম্যান পাওয়েল। এরপর চতুর্থ উইকেটে ১২০ রানের জুটি গড়ে ম্যাচের ছক বদলে দেন হোপ ও রাদারফোর্ড। ৩৮ রানে জীবনদান পাওয়ার পর রাদারফোর্ড মাত্র ৩৭ বলে ৮৪ রান করে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন। তার ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও ৭টি ছয়।
অপর প্রান্তে অবিচল থেকে রান তোলার গতি ধরে রাখেন হোপ। ৪৫ বলে ১০২ রানে অপরাজিত থেকে ৯ বল হাতে রেখেই দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। তার ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ৯টি ছয়।
এর আগে স্যামসনের ৪১ বলে ৮২ রানের ইনিংসে ৫ উইকেটে ২৪৯ রান তুলেছিল ভারত। অভিষেক শর্মা ও স্যামসনের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে মাত্র চার ওভারের কম সময়ে ৪২ রান তুলে ফেলে স্বাগতিকরা। তবে সেই ঝড়ো গতি থামান রোস্টন চেজ। অভিষেককে (২০) ফেরানোর পর ৪৩ রান করা ঈশান কিষান ও শিবম দুবেকেও (৭) আউট করেন তিনি। শামার স্প্রিঙ্গারের শিকার হন স্যামসন (৮২)। শেষ দিকে আবারও রান তোলার গতি বাড়ায় ভারত। শ্রেয়াস আইয়ার ও তিলক বর্মা মাত্র ৩২ বলে ৮৩ রানের জুটি গড়েন। আইয়ার ১৮ বলে করেন ৪০ রান। ইনিংসের শেষ ওভারের আগের বলে আউট হন তিনি। তাতে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ২৪৯ রান। তিলক ১৮ বলে ৪৪ রানে অপরাজিত থাকেন। ক্যারিবীয়দের হয়ে ২৪ রানে ৩ উইকেট নেন রোস্টন চেজ, ৬৪ রানে দুটি নেন শামার স্প্রিঙ্গার।