মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে অসত্য অভিযোগ করা হচ্ছে : বায়রা
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি (বায়রা) একটি সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেছে যে, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র চলছে। তারা দাবি করেছে, বৈধ নিয়োগ প্রক্রিয়াকে মানবপাচার হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে।
আজ সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বায়রার নেতারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই শ্রমবাজারটি আবার খুলতে যাচ্ছে। দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে অভিবাসন প্রক্রিয়ায় রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে যুক্ত করা হয়েছে।
বায়রার নেতারা জানান, বোয়েসেলসহ ২৬টি মূল রিক্রুটিং এজেন্সি এবং ৩১২টি সহযোগী এজেন্সিকে প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা মোট ৪৩৮টি রিক্রুটিং এজেন্সির সমন্বয়ে গঠিত। সংবাদ সম্মেলনে বায়রার সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মো. আবদুল গফুর ভূঁইয়া, আল আকাবা অ্যাসোসিয়েটের ব্যবস্থাপনা অংশীদার আতিকুর রহমান বিশ্বাস, এ ওয়ান রিক্রুটিং এজেন্সির স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ এবং পূরবী ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বক্তব্য দেন।
আবদুল গফুর ভূঁইয়া বলেন, দুই দেশের সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক ও ফলপ্রসূ আলোচনার পর কর্মী নিয়োগের কাজ শুরু হয়। কিন্তু তখনই বায়রার কিছু সদস্য অভিবাসন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা শুরু করে। তিনি দাবি করেন, এসব ব্যক্তি আগে ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং এখন তারা ভুল তথ্য দিচ্ছেন। আন্দোলন ও মানববন্ধনের মাধ্যমে শ্রমবাজারটি বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা চলছে।
আল আকাবা অ্যাসোসিয়েটের আতিকুর রহমান বিশ্বাস বলেন, একটি পক্ষ চায় মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুরোপুরি বন্ধ থাকুক। তিনি দাবি করেন, সরকারের আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মী পাঠানোর লক্ষ্যমাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতেই ষড়যন্ত্র চলছে।
এর আগে ২১ আগস্ট বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক পাঠাতে ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করে মালয়েশিয়ার ফরেন ওয়ার্কার্স সেন্ট্রালাইজড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এফডব্লিউসিএমএস)। তালিকা প্রকাশের পর বায়রার একটি অংশ সিন্ডিকেটের অভিযোগ তুলে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে। পরে ২৮ আগস্ট সরকারি সংস্থা বোয়েসেল এবং ৩১২টি সহযোগী রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করে এফডব্লিউসিএমএস।