দৌলতপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৭
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে টেঙ্গুর (৫০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত সাতজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চড়ুইকুড়ি (মরার চর) গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত টেঙ্গুর ওই গ্রামের মৃত দৈয়ব মন্ডলের ছেলে।
আহতদের মধ্যে সুমন মিয়া (৫০), হাদু মন্ডল (৭০), রাশিদুল (৩৫), ফটিক (৫৫), বজলু (৫৫), আজাদ মন্ডল (৬০) ও রাজু মন্ডল (৩০) রয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় ও বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, তিন থেকে চার দিন আগে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চড়ুইকুড়ি গ্রামের দুটি স্থানীয় গ্রুপের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এ ঘটনার পর কয়েক দিন ধরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
এরই জেরে বৃহস্পতিবার বিকেলে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের ছোড়া সুরকির আঘাতে টেঙ্গুর গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে পথেই তার মৃত্যু হয়।
রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজ মন্ডল জানান, দুই পক্ষের মধ্যে কয়েক দিন ধরেই চরম উত্তেজনা চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার বিকালে ব্যাপক সংঘর্ষ ঘটে। এতে টেঙ্গুর নিহত হয়েছেন এবং পাঁচ থেকে সাতজন আহত হয়েছেন।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, ‘দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়েছি। এ ঘটনায় টেঙ্গুর নামে একজন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। আমি ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। সেখানে পৌঁছে বিস্তারিত জানা যাবে।’