সাগর-রুনি হত্যা: ১১৮ বার পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় আবারও বাড়ানো হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম এ আজহারুল ইসলাম আগামী ২১ মে পর্যন্ত নতুন সময় নির্ধারণ করেন।
এ নিয়ে প্রতিবেদন দাখিলের সময় ১১৮ বার পেছানো হলো।
তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক আজ আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে ব্যর্থ হন। ফলে আদালত নতুন সময় নির্ধারণ করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৪ নভেম্বর মামলার তদন্তভার পিবিআইয়ের ওপর ন্যস্ত করা হয়। এরপর চলতি বছরের ২ মার্চ আদালত ১৫ এপ্রিলের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেন।
পিবিআইয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এ মামলায় আদালতের অনুমতি ছাড়াই অর্ধশতাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেছেন তদন্ত কর্মকর্তারা।
ইতোমধ্যে কারাগারে থাকা সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত এক বিচারপতিসহ ছয়জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পিবিআই। তাঁরা হলেন বরখাস্ত সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান, সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি মশিউর রহমান, সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, সাবেক নৌবাহিনী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল, এবং হত্যা মামলার অভিযুক্ত হুমায়ুন কবির ও পলাশ রুদ্র পাল।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ভোরে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। হত্যাকাণ্ডের সময় তাঁদের পাঁচ বছর বয়সী একমাত্র ছেলে মাহির সরোয়ার মেঘ বাসায়ই ছিলেন।
পরদিন রুনির ভাই নওশের আলী রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।