হামলার মুখে নয়, আলোচনায় এগিয়েছে চুক্তি: ইরান

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় কয়েক সপ্তাহ আগেই এ বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল এবং তখনই চুক্তির একটি খসড়া নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রাথমিক সমঝোতা তৈরি হয়।ইরানের কর্মকর্তারা বলেন, দেশটি ওই খসড়া চুক্তিতে সম্মতিও দিয়েছিল। তবে পরে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে আরো কিছু পরিবর্তনের প্রস্তাব দেয়। নতুন এসব শর্ত ও সংশোধনী নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করতে হয়েছে বিধায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে সময় বেশি লেগেছে।

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, আলোচনা দীর্ঘায়িত হওয়ার মূল কারণ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রস্তাবগুলো। এসব বিষয় খতিয়ে দেখতে এবং সম্ভাব্য প্রভাব মূল্যায়ন করতে ইরানের সময় প্রয়োজন হয়। ফলে পুরো প্রক্রিয়া বিলম্বিত ইরানের নেতারা মনে করেন, এই আলোচনা ও সম্ভাব্য চুক্তি থেকে দেশটি উল্লেখযোগ্য কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সুবিধা পাবে।

তাদের মতে, এর মাধ্যমে হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণের অবস্থান বজায় থাকবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল বা প্রত্যাহারের সুযোগ তৈরি হতে পারে এবং বিদেশে আটকে থাকা ইরানের সম্পদও মুক্ত করার পথ খুলে যেতে পারে।এ ছাড়া, চলমান আলোচনায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বা সামরিক সক্ষমতা নিয়ে কোনো আলোচনা হচ্ছে না বলেও দাবি করেছেন দেশটির কর্মকর্তারা। তাদের মতে, এটি ইরানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।ইরানের রাজনৈতিক নেতৃত্বের বিশ্বাস, বর্তমান সংঘাত এবং সম্ভাব্য চুক্তির পর দেশটি আগের তুলনায় আরো শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।

তাদের ধারণা, এই প্রক্রিয়া শেষ হলে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইরানের অবস্থান আরও সুবিধাজনক হবে এবং ভবিষ্যৎ আলোচনায় দেশটি তুলনামূলক শক্তিশালী অবস্থান থেকে অংশ নিতে পারবে।

 


 

 


 

All Categories