যানজটের নগরী ঢাকা অনেকটাই ফাঁকা
ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানী ঢাকা এখন অনেকটাই ফাঁকা। বৃহস্পতিবার (৫ জুন) থেকে সরকারি ছুটি শুরু হওয়ায় ইতোমধ্যেই বাড়ির পথে রওনা হয়েছেন বিপুল সংখ্যক মানুষ। ফলে কর্মব্যস্ত এ নগরী এখন অনেকটাই জনশূন্য।
ঢাকার ব্যস্ত সড়কগুলোতে নেই চিরচেনা যানজট। কমে গেছে মানুষের কোলাহল, হকারদের হাঁকডাক আর যানবাহনের হর্ন। তবে গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এবং সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে এখনও দেখা যাচ্ছে ঘরমুখো মানুষের আনাগোনা। ঈদের ঠিক আগ মুহূর্তে যারা বাড়ি ফিরছেন, তাঁদের ভিড়ে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে এসব টার্মিনাল এলাকা।
সরকার ঈদ উপলক্ষে ৫ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ১০ দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ঈদের তিন দিনের নির্ধারিত ছুটি, দুটি সাপ্তাহিক ছুটি ও নির্বাহী আদেশে ঘোষিত অতিরিক্ত ছুটি। তবে ছুটির ভারসাম্য রাখতে ১৭ মে ও ২৪ মে শনিবার অফিস খোলা রাখা হয়েছিল।
শুক্রবার (৬ জুন) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাগুলোর দাপট থাকলেও গণপরিবহনে যাত্রী সংকট স্পষ্ট। অনেক বাসকে ফাঁকা আসন নিয়েই চলাচল করতে দেখা গেছে। বনশ্রী, রামপুরা, বাড্ডা, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, বিজয় সরণি, ফার্মগেট, বাংলামোটর, শাহবাগ, মৎস্য ভবনসহ বিভিন্ন এলাকায় অন্যান্য দিনের তুলনায় যানবাহনের সংখ্যা অনেক কম।
বাসচালক ও সহকারীদের যাত্রী ডাকতে শোনা গেছে রাস্তায় দাঁড়িয়ে। কোথাও কোথাও যাত্রী না পেয়ে বাসগুলোকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতেও দেখা গেছে।
শহরের ব্যস্ততা কমে গেলেও ঈদ উপলক্ষে টার্মিনালগুলোয় এখনো রয়েছে ব্যতিক্রম দৃশ্য। ফেরা মানুষের ভিড়ে সেখানে বিরাজ করছে আলাদা এক কর্মচাঞ্চল্য। তবে পুরো শহরজুড়ে এখন বিরাজ করছে একধরনের নিস্তব্ধতা, যা শুধু ঈদের ছুটির সময়েই দেখা যায়।