উপকূল অতিক্রম করছে গভীর নিম্নচাপ, ১৬ জেলায় জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা
উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে এখন গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি সাগরদ্বীপ ও খেপুপাড়ার কাছ দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম শুরু করেছে।
বৃহস্পতিবার আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৩ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গভীর নিম্নচাপটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে সন্ধ্যার মধ্যে উপকূল অতিক্রম করতে পারে এবং এরপর ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে পড়বে।
গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে। এ সময় নিম্নচাপ কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।
এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, অমাবস্যা এবং গভীর নিম্নচাপের কারণে উপকূলীয় জেলা—চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, ভোলা, হাতিয়া, সন্দ্বীপ, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরা এবং এসব জেলার অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরে ২ থেকে ৪ ফুট উচ্চতার বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাগরে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।