সাবেক মেয়র আইভী রিমান্ডে, আরও দুই মামলায় গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ডা. সেলিনা হায়াত আইভীর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। পোশাককর্মী মিনারুল ইসলাম হত্যা মামলায় এই রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। পাশাপাশি সিদ্ধিরগঞ্জে রিকশাচালক তুহিন হত্যাকাণ্ড ও বিস্ফোরক আইনের পৃথক একটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নূর মহসিন এ আদেশ দেন। ভার্চ্যুয়ালি আদালতে হাজির হয়ে শুনানিতে অংশ নেন আইভী।

নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশের পরিদর্শক কাউয়ুম খান বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গুলিতে নিহত মিনারুল ইসলামের ঘটনায় আইভীর বিরুদ্ধে সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছিল পুলিশ। আদালত শুনানি শেষে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

আইভীর বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত মোট পাঁচটি মামলা রয়েছে। রোববার নতুন করে তুহিন হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বাকি মামলায় তাঁকে পর্যায়ক্রমে গ্রেপ্তার দেখানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এর আগে ১২ মে ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগের চুনকা কুটিরের নিজ বাসা থেকে ডিবি পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁকে মিনারুল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়। আদালতের আদেশে তাঁকে কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়।

আইভীকে গ্রেপ্তারের আগের রাতে তাঁর বাসা ঘিরে ফেলে পুলিশ। ওই সময় স্থানীয় বাসিন্দা ও আইভীর সমর্থকেরা দুটি সড়কে ব্যারিকেড তৈরি করে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। রাতভর চলা এই পরিস্থিতির পর পুলিশ ভোরে তাঁকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।

আইভীর পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তবে পুলিশ বলছে, মামলার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতেই গ্রেপ্তার এবং রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।

All Categories