রাজস্ব ঘাটতি ১ লাখ ৫৪ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছানোর শঙ্কা

রোববার (১৬ মার্চ) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে সিপিডি কার্যালয়ে এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট নিয়ে মন্তব্য করেছেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে তিনি বলেন ২০২৫ অর্থবছরের জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত রাজস্ব আদায়ের প্রবৃদ্ধি খুবই দুর্বল। এই সময়কালে রাজস্ব সংগ্রহ হয়েছে মাত্র ৪.৪ শতাংশ, যা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় খুব কম। তিনি জানান রাজস্ব ঘাটতি পূরণ এবং এই বছরের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা বাকি সময়ের মধ্যে প্রায় অসম্ভব।

ফাহমিদা খাতুন আরও বলেন আমরা মনে করি বাকি অর্থবছরে কর আদায়ের সম্ভাব্য উৎসগুলো বিবেচনায় রেখে হিসাব করলে বছর শেষে বাজেট ঘাটতির পরিমাণ ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন ২০২৫ অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বরে বাজেট বাস্তবায়নের হার ছিল ২৮.৩ শতাংশ, যা ২০২৪ সালের তুলনায় কিছুটা বেশি। তবে একই সময়ে এডিপি বাস্তবায়নের হার কমে গেছে এবং বাজেট ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৫২৭ কোটি টাকা যা ২০২৪ সালের একই সময়ের তুলনায় অনেক কম ছিল।

ফেব্রুয়ারি মাসে মূল্যস্ফীতি কমলেও গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব যদি অনুমোদিত হয় তবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে বৈশ্বিক শুল্কযুদ্ধ এবং মূল্যস্ফীতি পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৫ সালের জুনের মধ্যে মূল্যস্ফীতি ৭-৮ শতাংশে নামিয়ে আনার পূর্বাভাস বাস্তবে পাওয়া নাও যেতে পারে।

এ সময় সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো প্রফেসর মোস্তাফিজুর রহমান, গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম, গবেষক মুনতাসীর কামাল এবং সাঈদ ইউসুফ শাদাৎ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

All Categories