প্রাথমিকের ৬৫৩১ শিক্ষক নিয়োগ বাতিলের রায় স্থগিত

ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে উত্তীর্ণ ৬,৫৩১ প্রার্থীকে নিয়োগপত্র দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিল করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত করেছে আপিল বিভাগ। আজ সোমবার, আপিল বিভাগের তিন বিচারপতির বেঞ্চ, যাদের নেতৃত্বে ছিলেন জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, এ আদেশ দেন।

গত রোববার, শুনানির জন্য নির্ধারিত দিনে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সময় চেয়ে আবেদন করা হয়। আদালতে লিভ টু আপিলকারীর পক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ও আইনজীবী মুনতাসির উদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ৬,৫৩১ জন প্রার্থীর নিয়োগ বাতিল করে ৬ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রায় দেয়। ওই রায়ে নতুনভাবে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। হাইকোর্টের এই রায়ের পর নিয়োগবঞ্চিত শিক্ষকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং নানা ধরনের প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন শুরু করে।

এদিকে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার পর ১৮ ফেব্রুয়ারি, আপিল শুনানির জন্য ২ মার্চ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল।

২০২৩ সালের ১৪ জুন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এরপর ৬,৫৩১ জন প্রার্থীকে নির্বাচিত করা হয়, এবং ৩১ অক্টোবর নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ হয়। ২০ নভেম্বর নিয়োগপত্র দেওয়ার কথা থাকলেও, কোটা-সংক্রান্ত ২৩ জুলাইয়ের গেজেট অনুসরণ না করার অভিযোগে নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নিয়োগবঞ্চিতরা হাইকোর্টে আলাদা রিট করেন।

এখন, আপিল বিভাগের স্থগিতাদেশের পর, এই মামলা পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করবে।

All Categories