প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের ২য় শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা মর্যাদা লাভ
দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা এখন থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তার মর্যাদা পাবেন বলে রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ১০ম গ্রেডে তাদের বেতন নির্ধারিত হবে। বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের একটি পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এই রায় দেন।
এ রায়ে হাইকোর্টের পূর্বের রায় বহাল রাখা হয়েছে। আদালতে শিক্ষকদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার সালাউদ্দিন দোলন। আদালত জানান এই মর্যাদা ও সুবিধাগুলি ২০১৪ সালের ৯ মার্চ থেকে কার্যকর হবে।
এ বিষয়ে ২০২২ সালের ৬ জানুয়ারি সরকার আপিল করলে আপিল বিভাগ তৎকালীন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে চূড়ান্ত শুনানি শেষে সরকারের আপিল খারিজ করে রায় দেন। তবে ওই রায় কার্যকর হতে তিন মাসেরও বেশি সময় লেগে যায়। এর ফলে প্রধান শিক্ষকরা আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করেন।
পরবর্তীতে ২০২২ সালের ২৭ জুন হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ আদালতের রায় কার্যকর না করার বিষয়টি উত্থাপন করে এবং এক মাসের মধ্যে কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেয়। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সিভিল রিভিউ পিটিশন দায়ের করে।
আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সিভিল রিভিউ পিটিশনটি নিষ্পত্তি করে এবং রায় দেয় যার ফলে হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগের পূর্বের রায় কার্যকর করতে আর কোনো বাধা রইলো না।
এ রায়ের ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা এখন থেকে তাদের নতুন মর্যাদা এবং সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন যা শিক্ষার উন্নয়ন এবং তাদের দায়িত্বপূর্ণ ভূমিকা আরও সুসংহত করবে।