পাঞ্জাবকে হারিয়ে আইপিএলে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন বেঙ্গালুরু

সবই জিতেছেন বিরাট কোহলি—বিশ্বকাপ, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। শুধু অধরাই ছিল আইপিএলের শিরোপা। অবশেষে ১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে সেই স্বপ্নপূরণ করলেন ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম সেরা এই ব্যাটার। বুধবার (৪ জুন) আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ফাইনালে পাঞ্জাব কিংসকে ৬ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো আইপিএলের শিরোপা ঘরে তুলেছে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (আরসিবি)।

২০০৮ সাল থেকে কোহলি রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর সঙ্গে যুক্ত। তিনবার ফাইনালে উঠে প্রত্যেকবারই স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল। তবে এ বার আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ফাইনালে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে বেঙ্গালুরু ৯ উইকেটে তোলে ১৯০ রান। সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেন কোহলি নিজেই, ৩৫ বলের ইনিংসে ছিল চারটি চার ও একটি ছক্কার মার। তাঁর সঙ্গে দ্রুত রান তোলেন রজত পতিদার (১৬ বলে ২৬), মায়াঙ্ক আগারওয়াল (১৮ বলে ২৪), লিয়াম লিভিংস্টোন (১৫ বলে ২৫) ও জিতেশ শর্মা (১০ বলে ২৪)। শেষ দিকে রোমারিও শেইফার্ড করেন ৯ বলে ১৭ রান।

জবাবে পাঞ্জাব কিংস থেমে যায় ১৮৪ রানে, ৭ উইকেট হারিয়ে। ওপেনার প্রিয়াংশি আরিয়া (১৯ বলে ২৪) ও প্রবসিমরান সিং (২২ বলে ২৬) শুরুটা ভালো করলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। তিনে নামা জস ইংলিশ খেলেন ২৩ বলে ৩৯ রানের একটি কার্যকর ইনিংস।

শিরোপার স্বপ্ন জিইয়ে রেখেছিলেন শশাঙ্ক সিং। একপ্রান্ত আগলে রেখে ৩১ বলে হার না মানা ৬১ রান করেন এই ব্যাটার। ছয়টি ছক্কা ও তিনটি চারের দারুণ এক ইনিংস খেলেও জেতাতে পারেননি দলকে। বিপরীতে হতাশ করেন নামান ওধেরা। তিনি ১৮ বল খেলে করেন মাত্র ১৫ রান। শেষ ওভারে জয়ের জন্য পাঞ্জাবের দরকার ছিল ১৫ রান, কিন্তু পারেনি তারা।

এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আইপিএলের ফাইনালে উঠেছিল পাঞ্জাব কিংস। ২০১৪ সালের পর আবারও স্বপ্নভঙ্গ হলো প্রীতি জিনতার দলের।

অন্যদিকে, প্রথমবারের মতো আইপিএল ট্রফি উঁচিয়ে ধরলেন কোহলি। ফাইনালে ছিলেন তাঁর সাবেক সতীর্থ এবি ডি ভিলিয়ার্সও। কোহলির সঙ্গে বেঙ্গালুরুর রঙে রাঙলেন সাবেক এই দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটারও।

All Categories