মিটফোর্ডের ঘটনায় কিছু দল ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে: রিজভী
মিটফোর্ডে সংঘটিত ভাঙারি ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যাকাণ্ডকে ‘ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব ও ব্যবসায়িক বিরোধের’ জের বলে দাবি করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
শনিবার রাজধানীর উত্তরায় এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, এই ঘটনাকে রাজনৈতিক রঙ দিয়ে কিছু দল ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে। দু-একটি রাজনৈতিক দল মিছিল করে বিএনপির ওপর দায় চাপাতে চাইছে। কিন্তু আমরা শেখ হাসিনার মতো নিশ্চুপ থাকিনি, বরং অভিযুক্তদের দল থেকে বহিষ্কার করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছি।
রিজভী আরও বলেন, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের রগ কেটে দেওয়ার ঘটনা, বাস থেকে তুলে ছাত্রদল নেতাকে হত্যার কথা মানুষ ভুলে যায়নি। এখন কেউ যদি বিএনপিকে এই ঘটনার সঙ্গে জড়াতে চায়, তাহলে তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
তিনি বলেন, বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক পরিবার। সেখানে দু-একজন দুষ্কৃতকারী থাকতেই পারে। কিন্তু চিহ্নিত করা গেলে দলীয়ভাবে কঠোর ব্যবস্থা নিতে আমরা পিছপা হই না। সুজানগরের সাম্প্রতিক সংঘর্ষের পর সেই রাতেই জড়িতদের বহিষ্কার করা হয়েছে।
মিটফোর্ডে সোহাগ হত্যার প্রসঙ্গে রিজভীর দাবি, এটি দলীয় আদর্শ বা পদ-পদবি নিয়ে সংঘর্ষ নয়, এটি ছিল ব্যবসায়িক বিরোধ। এখানে বিএনপির কোনো সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা নেই।
তিনি খুলনায় রগ কেটে হত্যাকাণ্ড এবং চাঁদপুরে মসজিদের ভেতরে ইমামকে কুপিয়ে হত্যার কথা তুলে বলেন, “সেসব ঘটনায় তো কাউকে দায়ী করা হয়নি। অথচ মিটফোর্ডের ঘটনায় বিএনপিকে টার্গেট করা হচ্ছে। আমরা চাই, সোহাগ হত্যাসহ সব হত্যার সুষ্ঠু বিচার হোক।
রিজভী আরও বলেন, যে কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না। তারা মাটির নিচে পালিয়ে গেলেও সেখান থেকে বের করে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে, যাতে কেউ ভবিষ্যতে এমন সাহস না পায়।