খামেনি নিহত ইরানে অন্তর্বর্তী রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম পরিচালনায় ৩ সদস্যের পরিষদ
মার্কিন–ইসরায়েলি যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে তেহরান। রোববার সকালে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এ খবর প্রকাশ করে।
খামেনির মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তিন সদস্যের একটি অন্তর্বর্তী পরিষদ গঠন করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে বলা হয়, পরিষদে আছেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম হোসেন মোহসেনি এজেয়ি এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন ফকিহ (ধর্মীয় আইনবিদ)।
১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী দ্বিতীয় ব্যক্তি ছিলেন খামেনি। বিপ্লবের নেতা রুহুল্লাহ খোমেনি–এর মৃত্যুর দিনই তাঁকে সর্বোচ্চ নেতার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় ধরে তিনি দেশটির রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতৃত্বে ছিলেন।
সংবিধান অনুযায়ী, ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ নামে পরিচিত ধর্মীয় নেতাদের একটি পরিষদ নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করবে। আইন অনুযায়ী এ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার কথা থাকলেও চলমান হামলা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে সংশ্লিষ্ট পরিষদের বৈঠক আয়োজন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত থাকায় রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হওয়ায় আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।