কবর থেকে সহকারীর লাশ উত্তোলন, যা বললেন তানজিন তিশা

কবর থেকে সহকারীর লাশ উত্তোলন, যা বললেন তানজিন তিশা

জুলাই অভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যাওয়া অভিনেত্রী তানজিন তিশার ব্যক্তিগত সহকারী আল-আমিনের লাশ ৭ মাস পর ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।

সোমবার (১০ মার্চ) মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ পারভেজের নেতৃত্বে এবং উত্তরা পশ্চিম থানা ও শ্রীনগর থানা পুলিশের তত্ত্বাবধানে শ্রীনগর উপজেলার বালাসুর কাশেমনগর কবরস্থান থেকে তার মরদেহ উত্তোলন করা হয়।


এ বিষয়ে শোক প্রকাশ করেছেন তানজিন তিশা,বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে একটি আবেগপূর্ণ পোস্টে তিনি লিখেছেন আল-আমিন শুধুমাত্র আমার সহকারী ছিল না,সে ছিল আমার ভাই সে পাঁচটি বছর আমার পাশে ছিল। সে একটি নিষ্পাপ ছেলে ছিল এবং ২০২৩ সালের জুলাই-আগস্টে আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হয়েছে। 

সাত মাস পর তার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করার সিদ্ধান্ত আমি মোটেও সমর্থন করছি না।তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন,এই কাজের মাধ্যমে কি লাভ হবে? শুধু তার আত্মা কষ্ট পাচ্ছে।

আল-আমিনের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৯ জুলাই উত্তরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পৌঁছানোর পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর ২০ জুলাই তার মরদেহ শ্রীনগরের কাশেমনগর কবরস্থানে দাফন করা হয়, তবে ময়নাতদন্ত ছাড়াই।

ঘটনার চার মাস পর গত ডিসেম্বর মাসে আল-আমিনের বড় ভাই বাদল খলিফা উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে আল-আমিনের বাবা আইয়ুব খলিফার সম্মতিতে ১০ মার্চ তার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয় এবং মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহীন মাহমুদ গণমাধ্যমকে জানান,৭ মাস পর আল-আমিনের মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য, যা মুন্সিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

All Categories