জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে সংঘর্ষ,চিকিৎসাসেবা বন্ধ
জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে সংঘর্ষের পর সব ধরনের চিকিৎসাসেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার সকালে হাসপাতালে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এরপর থেকেই জরুরি বিভাগসহ সব ধরনের চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
দুপুর ২টার দিকে হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক খায়ের আহমেদ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘হাসপাতালে সেবা দেওয়ার মতো পরিবেশ নেই। তাই সব কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে।’
তিনি জানান, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।’
দুপুর আড়াইটার দিকে হাসপাতাল চত্বরে গিয়ে দেখা যায়, প্রধান ফটকে তালা ঝুলছে। গেটের বাইরে সেবা নিতে আসা অনেক রোগী ও স্বজন অপেক্ষা করছেন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য বিকেল সোয়া ৩টায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা ডাকা হয়েছে।
সপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত দুই দিনে দুটি অপ্রীতিকর ঘটনার পর নিরাপত্তার শঙ্কায় চিকিৎসক, নার্সসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীরা আজ সকাল থেকে কর্মবিরতি পালন করেন।
হাসপাতালের পরিচালক জানান, আজ সকাল ১১টার দিকে জুলাই অভ্যুত্থানে আহতদের একটি দল হাসপাতালে এসে কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এতে রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে ত্রিমুখী সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।
তিনি আরও বলেন, ‘হামলায় কয়েকজন চিকিৎসক ও নার্স আহত হয়েছেন। এমনকি তাদের বাসাতেও হামলার ঘটনা ঘটেছে।পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। পরিস্থিতি শান্ত না হওয়া পর্যন্ত তারা সেবা কার্যক্রমে ফিরে না আসার সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছেন বলে জানা গেছে।