জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের বিষয়ে সিদ্ধান্ত ইসির

রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করে দেওয়া হাইকোর্টের রায় বাতিল ঘোষণা করেছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। তবে দলটির আগের নির্বাচন প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ ফিরে পাবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব দিয়েছে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি)।

রোববার (১ জুন) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিক, ব্যারিস্টার ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিক, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির, ব্যারিস্টার নাজিব মোমেন এবং ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশেম।

এর আগে গত ১৪ মে জামায়াতের নিবন্ধন ও প্রতীক ফিরে পাওয়ার বিষয়ে করা আপিলের শুনানি শেষ হয়। ওই দিন শুনানি শেষে আদালত রায়ের জন্য ১ জুন দিন নির্ধারণ করেন।

গত বছরের ২২ অক্টোবর আপিল বিভাগ এক আদেশে জামায়াতের আগের খারিজ হওয়া আপিল পুনরুজ্জীবিত করে শুনানির সুযোগ দেয়। এরপর চলতি বছরের ১২ মার্চ থেকে শুরু হয় শুনানি।

২০০৮ সালে নির্বাচন কমিশনের কাছে নিবন্ধন পাওয়া জামায়াতের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট হাইকোর্ট এক রিট আবেদনের রায়ে দলটির নিবন্ধন বাতিল ও অবৈধ ঘোষণা করে। এরপর ২০১৮ সালের ৭ ডিসেম্বর ইসি এক প্রজ্ঞাপনে দলটির নিবন্ধন বাতিলের ঘোষণা দেয়।

এ রায়ের বিরুদ্ধে জামায়াত আপিল করলেও শুনানির সময় দলের মূল আইনজীবী অনুপস্থিত থাকায় ২০২৩ সালের নভেম্বরে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি হাসান নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির বেঞ্চ 'ডিসমিস ফর ডিফল্ট' বলে আপিল খারিজ করেন। ফলে হাইকোর্টের রায় বহাল থাকে।

তবে সর্বশেষ আপিল বিভাগের রায়ে হাইকোর্টের সেই রায় বাতিল হওয়ায় দলটি রাজনৈতিকভাবে পুনরায় নিবন্ধন ফিরে পাওয়ার পথে এগিয়ে গেল।

All Categories