জামায়াত-এনসিপির শর্তে বাড়ছে নির্বাচনী অনিশ্চয়তা, চাপে বিএনপি
ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন ঘিরে নতুন শঙ্কা তৈরি হয়েছে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র শর্ত ও অবস্থানকে কেন্দ্র করে। দুই দল সংস্কার সনদ বাস্তবায়ন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতকরণ এবং সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতি চালুর দাবি তুলেছে। দাবি পূরণ না হলে তারা আন্দোলন বা এমনকি ভোট বর্জনের হুমকিও দিয়েছে।
বিএনপি শুরু থেকেই দ্রুত নির্বাচনের পক্ষে থাকলেও এসব শর্তে তাদের অবস্থান ভিন্ন। বিএনপির মতে, নির্বাচনসংক্রান্ত বিষয় ছাড়া অন্যান্য সাংবিধানিক সংস্কার নির্বাচিত সংসদে হওয়া উচিত। লন্ডনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক এবং যৌথ বিবৃতিতে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত ঘোষণায় জামায়াত ও এনসিপি অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি বিএনপিকে রাজনৈতিক চাপে ফেলতে পারে। জামায়াত ও এনসিপি ভোট বর্জন করলে নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক না হওয়ার অভিযোগ উঠবে, যা বিএনপির জন্য বিব্রতকর হবে। সরকার বলছে, নির্বাচন কমিশন তফসিল ও ভোটের পরিবেশ নিয়ে আলোচনা করবে, তবে সংবিধান সংস্কারের দাবি এখন আলোচ্য নয়।
পর্যবেক্ষকরা সতর্ক করেছেন, বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির মধ্যে সমঝোতা না হলে নির্বাচন ঘিরে সংঘাত ও অনিশ্চয়তা বাড়বে। এতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।