ইরানে হামলা ‘সপ্তাহের শেষে’ অপেক্ষা ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের
ইরানের ওপর ‘সপ্তাহান্তে’ হামলা চালাতে পারে মার্কিন সেনাবাহিনী। তারা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনও আক্রমণ চালানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। এ অবস্থায় প্রস্তুত রয়েছে ইরানও। রাশিয়ার সঙ্গে তারা ওমান সাগরে যৌথ সামরিক মহড়ার ঘোষণা দিয়েছে। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের আলোচনার মধ্যেই এ উত্তেজনা বাড়ছে। ওই বৈঠকে ‘সামান্য অগ্রগতি’র কথা বলা হলেও কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি।
বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প বারবার ইরানকে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করার দাবি জানিয়ে আসছেন। সেই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান যেন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিও বন্ধ করে দেয়। ইরান এসব দাবির সঙ্গে একমত নয়।
দ্য নিউইয়র্ক টাইমস ও সিএনএন জানিয়েছে, মার্কিন সামরিক বাহিনী আগামী দিনে হামলা চালাতে মধ্যপ্রাচ্যে ইতোমধ্যে পর্যাপ্ত বিমান ও নৌবাহিনী জড়ো করেছে। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে রয়টার্স সময়সীমা নিয়ে কিছুটা ভিন্ন তথ্য দিয়েছে। গত বুধবার হোয়াইট হাউসে এক বৈঠকে শীর্ষ মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন সামরিক বাহিনীর সব সদস্যের মার্চের মাঝামাঝি প্রস্তুত থাকা উচিত। সিবিএস নিউজ বলছে, হামলার সময়সীমা এ সপ্তাহ ছাড়িয়ে আরও বাড়ানো হতে পারে।
গত বুধবার সংবাদ সম্মেলন করেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট। সেখানে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার আগে চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য ইরানকে ট্রাম্প নির্দিষ্ট সময়সীমা দেবেন কিনা? লিভিট বলেন, ‘ইরানের জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে একটি চুক্তি করা খুবই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।’
মধ্যপ্রাচ্যে ৫০টিরও বেশি অতিরিক্ত যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে সম্ভাব্য পাল্টা হামলা এড়াতে পেন্টাগন ওই অঞ্চল থেকে কিছু কর্মকর্তা-কর্মীকে সরিয়ে নিচ্ছে।