ইলন মাস্ককে কাছে টানছেন মুহাম্মদ ইউনূস
বাংলাদেশের ‘রাজনৈতিক পরিমণ্ডল’ শক্তিশালীকরণে ২৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের কর্মসূচি তথ্য প্রকাশের পর দেশের রাজনীতিতে সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। এরই মাঝে মার্কিন প্রেসিডিন্টের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিতি যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ ব্যবসায়ী এবং স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইলন মাস্ককে কাছে টানছেন অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
মাস্ককে চিঠি দিয়ে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানানোর পাশাপাশি ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে স্টারলিংক চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ইউনূস।
গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ইলন মাস্কের সঙ্গে ফোনালাপ করেন মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা এবং বাংলাদেশে স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা চালুর অগ্রগতি নিয়ে মাস্কের সাথে ইউনূসের আলোচনা হয়।
এর ১০ দিনের মাথায় ১৯ ফেব্রুয়ারি ইলন মাস্ককে চিঠি পাঠান ইউনূস।
চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশের অবকাঠামোর সঙ্গে স্টারলিংকের সংযোগ যুক্ত করা হলে বিশেষ করে দেশের উদ্যমী যুবসমাজ, গ্রামীণ ও সুবিধাবঞ্চিত নারী এবং প্রত্যন্ত ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য তা বৈপ্লবিক পরিবর্তন বয়ে আনবে।
প্রধান উপদেষ্টা তাঁর উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি খলিলুর রহমানকে স্পেসএক্স টিমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন; যাতে আগামী ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে বাংলাদেশে স্টারলিংক চালুর ক্ষেত্র প্রস্তুত করা যায়।
গত শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে দেশটির গভর্নরদের নিয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, 'বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিমণ্ডল শক্তিশালীকরণের' নামে দেওয়া ২৯ মিলিয়ন ডলার সহায়তা এমন একটি ফার্মের (সংস্থা) কাছে গেছে, যার নামও আগে কেউ শোনেনি।
সেখানে মাত্র দুজন কর্মী কাজ করে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
একদিন পর গত শনিবার শনিবার ওয়াশিংটনে কনজারভেটিভ পলিটিক্যাল অ্যাকশন কনফারেন্সে ট্রাম্প বলেন, “বাংলাদেশে ২৯ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়েছিল যেন তারা ‘উগ্র বাম কমিউনিস্টদের’ ভোট দিতে পারে।”