একই দিনে নির্বাচন ও গণভোট: ভোট গ্রহণের সময় বাড়ানোর পরিকল্পনা ইসির

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও নাগরিকত্ব সনদসংক্রান্ত গণভোট একই দিনে আয়োজনের সিদ্ধান্তের কারণে ভোট গ্রহণের সময় এক ঘণ্টা বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী রোববার কমিশনের বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে। একই সভায় তফসিল ঘোষণার দিন-তারিখও নির্ধারণ করা হতে পারে।

অন্তর্বর্তী সরকার আগেই জানিয়েছে, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীনও বলেছেন, ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।

ইসি সূত্র জানায়, নির্বাচন প্রস্তুতি এখন শেষ পর্যায়ে। ৭–১১ ডিসেম্বরের মধ্যে তফসিল ঘোষণার পরিকল্পনা রয়েছে। এবার তফসিল ঘোষণার পর ভোটের দিন পর্যন্ত দুই মাস সময় রাখা হবে। সে অনুযায়ী ভোট হতে পারে ৫ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে।

শুরুতে কেবল সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৪২ হাজার ৭৬১টি ভোটকেন্দ্র ও ২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৪৯টি ভোটকক্ষ নির্ধারণ করেছিল ইসি। কিন্তু গণভোট যুক্ত হওয়ায় প্রতিটি ভোটারকে দুটি ব্যালটে ভোট দিতে হবে। এতে ভোট গ্রহণের সময় বাড়বে বলেই মনে করছে কমিশন।

গত শনিবার রাজধানীর একটি কেন্দ্রে মক ভোটিং করে ইসি পর্যালোচনা করে যে, একটি ভোটকক্ষে দুটি গোপন কক্ষ থাকলে নতুন কেন্দ্র বাড়ানো প্রয়োজন নাও হতে পারে। তবে গ্রামাঞ্চলে অনেক কেন্দ্রেই পর্যাপ্ত অবকাঠামো নেই। তাই ভোটের সময় বাড়ানোর দিকেই কমিশন বেশি ঝুঁকছে।

বর্তমানে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হয়। এবার প্রস্তাব উঠেছে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সময় নির্ধারণের। ফেব্রুয়ারিতে কুয়াশা ও দিনের আলো কম থাকার বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, “সময় বৃদ্ধি ও তফসিল ঘোষণার বিষয়গুলো রবিবারের সভায় চূড়ান্ত হবে।

All Categories