ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারার প্রতীক ‘ফুটবল’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৯ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তাসনিম জারা। তিনি নির্বাচনে প্রতীক হিসেবে পেয়েছেন ফুটবল।

বুধবার (আজ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। সেখানে তাসনিম জারার হাতে ফুটবল প্রতীক তুলে দেওয়া হয়।

ঢাকা মহানগরীর ১৫টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ১৩টির প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে। এসব আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে রয়েছেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী। এই ১৩টি আসনে মোট চূড়ান্ত প্রার্থী রয়েছেন ১৩৮ জন, যার মধ্যে ১০ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য মোট ১১৯টি প্রতীক বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে ৫৬টি প্রতীক।

এর আগে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ফুটবল প্রতীক পাওয়ার জন্য আবেদন করার কথা জানিয়েছিলেন তাসনিম জারা। তাঁর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই তাঁকে ফুটবল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।

প্রতীক পাওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তাসনিম জারা। তিনি বলেন,
‘গত কয়েক দিন ভোটারদের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রায় সবাই জানতে চাচ্ছিলেন—আমার প্রতীক কী, ব্যালট পেপারে কোন প্রতীক দেখতে পাবেন। আজ সেই প্রশ্নের পরিষ্কার উত্তর পেলাম। আমি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফুটবল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি।’

তিনি জানান, আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন। তাসনিম জারা বলেন,
‘আমরা যে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির রাজনীতি দেখতে চাই, সেই ভিত্তিতেই আমাদের প্রচারণা চলবে। সবার দোয়া ও শুভকামনা কামনা করছি।’

উল্লেখ্য, তাসনিম জারা আগে এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ছিলেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনী জোট গঠন নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই তিনি দলটি ত্যাগ করেন। পরে ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হলেও আপিলের মাধ্যমে তিনি প্রার্থিতা ফিরে পান।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, আজ প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হচ্ছে। প্রতীক পাওয়ার পর আগামীকাল থেকেই প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারে নামবেন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে পৃথক ব্যালটে গণভোটও অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

All Categories