ঢাবি শিক্ষার্থী সাম্য হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৮

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী এবং ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। একইসঙ্গে এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ মে) ডিএমপির মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে পাঠানো এক খুদে বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়।

ডিএমপির মিডিয়া ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরতে আজ বিকেল পৌনে ৫টায় ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলন করবেন ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।

এদিকে মামলার অগ্রগতিতে নতুন মোড় আসে সোমবার (২৬ মে)। ওইদিন আসামি মো. রিপন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। একই মামলায় গ্রেপ্তার অন্য তিন আসামি—সোহাগ, হৃদয় ইসলাম এবং রবিনের দু’দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এছাড়া সুজন সরকার নামের অপর এক আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত ১৩ মে দিবাগত রাত ১২টার দিকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মুক্তমঞ্চসংলগ্ন এলাকায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন শাহরিয়ার আলম সাম্য। তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হল শাখা ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক।

ছুরিকাঘাতের পর তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাতেই তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরদিন, ১৪ মে নিহত সাম্যের বড় ভাই শরীফুল ইসলাম শাহবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

শাহরিয়ার আলম সাম্য একজন সক্রিয় ছাত্ররাজনীতিক ছিলেন, এ কারণে পুলিশ শুরু থেকেই রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত দুই ধরনের দ্বন্দ্বকে মাথায় রেখে তদন্ত চালিয়ে আসছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কোনো পূর্বশত্রুতা বা দলীয় কোন্দলের জেরে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে।

All Categories