আইনশৃঙ্খলা চ্যালেঞ্জিং হলেও নির্বাচন সম্ভব : সিইসি
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, নির্বাচন কবে হবে—এ ব্যাপারে তিনি সুনির্দিষ্ট কিছু জানেন না। তবে এপ্রিলের প্রথমার্ধে অথবা রমজানের আগেই ভোট হতে পারে বলে ধারণা করছেন তিনি।
বিবিসি বাংলাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে সিইসি বলেন, পোলিং ডেটটা জানি না। এপ্রিলে ফার্স্ট হাফে বলা হচ্ছে। দ্যাট কাইন্ড অব থিং উইল বি কমিউনিকেটেড টু আস। আমরা ধরে নিচ্ছি, হয় ফেব্রুয়ারির শুরুতে বা এপ্রিলের প্রথম দিকে নির্বাচন হতে পারে।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন ডিসেম্বরকে লক্ষ্য করে প্রস্তুতি শুরু করেছিল। ‘প্রধান উপদেষ্টা বলেছিলেন, ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচন হতে পারে। আমরা শুরু থেকেই ডিসেম্বরকে টার্গেট করে প্রস্তুতি নিয়েছি,’ বলেন সিইসি।
সরকারের পক্ষ থেকে কোনো নির্দিষ্ট সময় জানানো হয়নি জানিয়ে সিইসি বলেন, সরকারের কাছ থেকে কোনো নির্দেশনা, পরামর্শ বা আদেশ পাইনি। সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছি।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিয়ে সিইসি বলেন, এটা ছিল সৌজন্য সাক্ষাৎ। উনি জানতে চেয়েছেন আমাদের প্রস্তুতির অবস্থা কী। আমি তাঁকে বিস্তারিত জানিয়েছি।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে সিইসি বলেন, নির্বাচন আয়োজন চ্যালেঞ্জিং হতে পারে, তবে তা সম্ভব। পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেকটা উন্নত হয়েছে। আমরা মনে করি, নির্বাচনের সময় সব কিছু শান্ত থাকবে।
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বক্তব্য সম্পর্কে সিইসি বলেন, রাজনীতিকরা নানা ধরনের কথা বলেন। কেউ ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন চায়, কেউ আবার সংস্কারের আগে ভোট হতে পারে বলে মত দেয়। তবে সবাই সুষ্ঠু নির্বাচনের পক্ষেই কথা বলছে।
জনগণ যদি আপনার পাশে থাকে, কোনো মব বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আপনাকে ঠেকাতে পারবে না। আমরা বিশ্বাস করি, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব।