সেন্ট মার্টিনে যেতে পর্যটকদের গুনতে হবে পরিবেশ সংরক্ষণ ফি
প্রবালদ্বীপ সেন্ট মার্টিনের জীববৈচিত্র্য ও বাস্তুতন্ত্র রক্ষায় তিন বছর মেয়াদি একটি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। স্থানীয়দের বিকল্প কর্মসংস্থানের পাশাপাশি পর্যটকদের কাছ থেকে পরিবেশ সংরক্ষণ ফি আদায়ের ব্যবস্থাও করা হবে।
শনিবার রাজধানীর পরিবেশ অধিদপ্তরে সেন্ট মার্টিনের ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা নিয়ে আয়োজিত এক সভায় এসব কথা বলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
তিনি বলেন, ‘সেন্ট মার্টিন দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ। এর অনন্য প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। দ্বীপের পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের জীবিকার বিকল্প পথ তৈরি করাও জরুরি।’
রিজওয়ানা হাসান জানান, আগস্ট থেকে তিন বছর মেয়াদি প্রকল্পটির কাজ শুরু হবে। শুরুতে সেন্ট মার্টিনের ৫০০ পরিবারকে নির্বাচিত করা হয়েছে। তাঁদের বাড়ির আঙিনায় হাঁস-মুরগি পালন, চিপস তৈরি ও কৃষি কার্যক্রমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। কৃষি মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে দ্বীপে দুজন কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সভায় জানানো হয়, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে পর্যটকদের কাছ থেকে পরিবেশ সংরক্ষণ ফি আদায় করা হবে। সেই অর্থ দ্বীপের পরিবেশ ও প্রতিবেশ সংরক্ষণে ব্যবহার করা হবে। তবে কত টাকা ফি নেওয়া হবে, তা এখনো নির্ধারণ হয়নি।
মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ থাকাকালীন সময় জেলেদের জন্য সহায়তা বাড়ানোর কথাও জানিয়েছেন পরিবেশ উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘মৎস্য অধিদপ্তর এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিচ্ছে।