ধর্মকে ব্যবহার করে একটি গোষ্ঠী দেশে বিভাজনের চেষ্টা চালাচ্ছে: মির্জা ফখরুল

বাংলাদেশে পরিকল্পিতভাবে বড় ধরনের সামাজিক ও রাজনৈতিক বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁর দাবি, একটি গোষ্ঠী ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে দেশে বিভাজন গভীর করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

রোববার রাজধানীর খামারবাড়িতে বিএনপির ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বাংলাদেশের মানুষ ধর্মভীরু উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা ধর্ম মানি, ধর্ম পালন করি। কিন্তু রাষ্ট্র বা সমাজকে ধর্মের ভিত্তিতে বিভক্ত করার কোনো ধারণায় আমরা বিশ্বাস করি না। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মূল ভিত্তিই ছিল সবার বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, সব অপপ্রয়াসকে পরাজিত করে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব বিএনপিকেই নিতে হবে। নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দেড় বছরে এক কোটি লোকের কর্মসংস্থান তৈরির যে ঘোষণা তারেক রহমান দিয়েছেন, সেটি বিএনপির সক্ষমতারই প্রমাণ বলে মন্তব্য করেন তিনি। মির্জা ফখরুলের ভাষায়, এ পরিকল্পনা দেখাচ্ছে বিএনপি একটি অ্যাডভান্সড পলিটিক্যাল পার্টি। আমাদেরকে নেগেটিভ রাজনৈতিক দল হিসেবে দেখানোর যে প্রবণতা রয়েছে, তা ভেঙে ফেলতে হবে।

ছাত্রদলের সক্রিয়তা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচি প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত পৌঁছায়নি। ‘আমি গ্রামে গেলে এর প্রতিফলন দেখি না,’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদলের উপস্থিতি ও ভূমিকা আরও জোরালো করতে হবে। তাঁর অভিযোগ, এই সক্রিয়তার ঘাটতির কারণেই সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলোতে প্রত্যাশিত ফল পায়নি বিএনপি।

তিনি ছাত্রদলকে মাঠে আরও দৃশ্যমান ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

All Categories