চাঁদাবাজি নয় ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে মিটফোর্ডে হত্যা: ডিসি জসীম উদ্দিন

রাজধানীর পুরান ঢাকার ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগ (৩৯) হত্যাকাণ্ড চাঁদাবাজি নয়, বরং দোকানের মালিকানা ও ব্যবসায়িক বিরোধের জের—এমনটাই জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন।

শনিবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন তিনি।

ডিসি জসীম বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের শিকার সোহাগ এবং যারা তাঁকে হত্যা করেছে, তারা আগে একসঙ্গে ভাঙারির ব্যবসা করত। ব্যবসার লেনদেন ও দোকানে কারা বসবে, তা নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ ছিল। এই দ্বন্দ্ব থেকেই হত্যাকাণ্ড ঘটে।

গত বুধবার বিকেল ছয়টার দিকে মিটফোর্ড হাসপাতালের তিন নম্বর গেটের সামনে প্রকাশ্যে সোহাগকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজনের চোখের সামনে এ নৃশংসতা সংঘটিত হয়।

ঘটনার পর কোতোয়ালি থানা পুলিশ সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে নিহতের বড় বোন থানায় মামলা করেন।

এজাহারভুক্ত আসামি মাহমুদুল হাসান ওরফে মহিন (৪১) ও তারেক রহমান ওরফে রবিনকে (২২) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রবিনের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তলও উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করেছে আরও দুজনকে—আলমগীর (২৮) ও মনির ওরফে ছোট মনির (২৫)। শুক্রবার রাতে কোতোয়ালি থানা পুলিশ টিটন গাজী (৩২) নামে আরেক আসামিকে গ্রেপ্তার করে।

ডিসি জসীম উদ্দিন বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান এবং সংশ্লিষ্ট সব অপরাধীকে গ্রেপ্তারে একটি চৌকস তদন্ত দল কাজ করছে। ইতিমধ্যে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং বেশ কয়েকটি স্থানে অভিযান চালানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘এটি একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা। আমরা প্রত্যেক জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনব।

All Categories