বিপৎসীমার ওপর তিস্তার পানি, খুলে দেওয়া হয়েছে ব্যারেজের ৪৪টি গেট
উজানের পাহাড়ি ঢল ও ভারী বৃষ্টিতে লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
বুধবার সকাল ৯টায় দোয়ানীতে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার (৫২.১৫ মিটার) ৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে তিস্তাপারের পাঁচ সহস্রাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।
এর আগে ৩ আগস্ট একই স্থানে পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপরে উঠেছিল, পরে কমে যায়। আজ সকাল ৬টায় পানি ছিল বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপরে, যা তিন ঘণ্টায় কমে দাঁড়ায় ৫ সেন্টিমিটার ওপরে।
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, পশ্চিম ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, গয়াবাড়ী, খালিশাচাপানী ও ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের ১৫টি গ্রাম ও চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় দুই শতাধিক পরিবারের ঘরে পানি ঢুকেছে এবং বহু আবাদি জমি তলিয়ে গেছে।
পূর্ব ছাতনাই ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ খান জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে পানি বাড়তে থাকে। এতে চরাঞ্চলের বিভিন্ন গ্রামের মানুষ আতঙ্কে আছেন। টেপাখড়িবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম বলেন, নদীর কয়েকটি চ্যানেল বের হয়ে আবাদি জমি ডুবে গেছে। স্বেচ্ছাশ্রমে চ্যানেল বন্ধের কাজ চলছে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড সহযোগিতা করছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিস্তা ব্যারাজের সব ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আ