বিক্ষোভরত চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান
চাকরিতে পুনর্বহালসহ তিন দফা দাবিতে রাজধানীর কাকরাইলে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন বিডিআরের (বর্তমান বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ–বিজিবি) বরখাস্ত সদস্য ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৮ জুলাই) সকালে জাতীয় জাদুঘরের সামনে চলমান অবস্থান কর্মসূচি থেকে মিছিল নিয়ে যমুনা, প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবনের দিকে রওনা দেন বিক্ষোভকারীরা।
পুলিশের বাধা অতিক্রম করে তাঁরা কাকরাইল মোড়ে পৌঁছালে ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ জলকামান ছোড়ে ও সাউন্ড গ্রেনেডের বিস্ফোরণ ঘটায়।
পুলিশ বলছে, মিছিলটি নিষিদ্ধ এলাকায় ঢোকার চেষ্টা করছিল। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্যই এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
বিডিআর থেকে বরখাস্ত হওয়া শতাধিক সদস্য ও তাঁদের পরিবার গত দুই সপ্তাহ ধরে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান করছেন। তাঁদের দাবি—চাকরিতে পুনর্বহাল, ন্যায়বিচার ও পুনর্বাসন।
সকাল সোয়া ১১টার দিকে আন্দোলনকারীরা মৎস্য ভবন হয়ে যমুনার দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পুলিশ প্রথমে শাহবাগ মোড়েই তাঁদের থামাতে চায়। পরে মৎস্য ভবনের সামনে রমনা বিভাগের উপকমিশনার মাসুদ আলমের নেতৃত্বে পুলিশ ব্যারিকেড দেয়।
বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে কাকরাইল মোড়ে পৌঁছে সড়কে অবস্থান নেন। সেখানে তাঁরা বিভিন্ন দাবির পক্ষে স্লোগান দিতে থাকেন।
তাদের তিন দফা দাবি হলো- চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদের ক্ষতিপূরণ দিয়ে চাকরিতে পুর্নবহাল, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে গঠিত স্বাধীন তদন্ত কমিশনের বিভিন্ন ধারা বাতিল এবং বিডিআর নাম পুর্নবহাল ও কারাগারে বন্দি থাকা বিডিআর সদস্যদের মুক্তি।